পলাশ চায় তার আঁকা কার্টুন যেন দেশের কথা বলে, যেন দেশের কাজে আসে!

01/26/2016

টেকমরিচের আজকের প্রতিভাবান শিল্পী পলাশ। পুরো নাম – শাকিল মাহমুদ পলাশ।  বর্তমানে বুয়েট এর আর্কিটেকচার বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত। চলুন পলাশের কাছ থেকেই আমরা শুনি তার অভিজ্ঞতা আর ছবি আঁকার সাথে তার সখ্যতার কথা। সবশেষে তার অসাধারন চিত্রকর্মগুলোও দেখে নেয়া হবে বৈকি!

“ছোটবেলা থেকেই আঁকাআঁকির অভ্যাস। মায়ের হাতেই হাতেখড়ি। সবকিছুর শুরু যেমন আপেল থেকে আমারও তাই। একসময় যে আপেল আঁকতে গেলে মাথা ঘুরাতো সেই আপেল আঁকা শিখিয়ে দিলেন মা তাঁর অভিনব বুদ্ধিতে। যাই হোক তখন থেকেই বুঝলাম আঁকাটা আসলে অনেকটাই বুদ্ধির খেলা।

ভালভাবে আঁকা আঁকির শুরু করেছিলাম মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের কল্যাণে। প্রতিযোগিতার শুরু এবং একের পর এক ভাল ফলাফল উৎসাহ যুগিয়েছিল। ট্রান্সপারেনসি ইন্টারন্যাশনাল এর আয়োজিত দুর্নীতি দমন কার্টুন প্রতিযোগিতায় সেরা দশ এর ভিতরে স্থান পাওয়াটাই ছিল প্রথম বড় কোন প্রতিযোগিতায় ভাল ফলাফল পাওয়া।

ক্লাসের পড়াশোনার ফাঁকে টিচারদের ক্যারিকেচার আঁকা, বন্ধুদের বসিয়ে ভুলভাল পোট্রেইট আঁকা, ম্যাগাজিনে কাভার আঁকাগুলোই ছিল আঁকার প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন। পরে আস্তে আস্তে পরিনত হয়েছি কলেজে এসে। আর যখন এই আঁকা দিয়ে বুয়েটে আর্কিটেকচারে ঢুকে পরলাম তখন আর থামায় কে! ”

পলাশের কাজের ধরন  –পোট্রেইট আঁকা, ক্যারিকেচার আঁকা, যেকোনো লোগো/কার্টুন আঁকতে এখন আমার ভাল লাগে।

যে সকল মিডিয়া নিয়ে পলাশ কাজ করে – জলরং তেলরঙ পেন্সিল স্কেচ সবই ভাললাগে কিন্তু এখন ডিজিটাল মিডিয়াতে আঁকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।

জীবনের লক্ষ্য – PS Drawings পেইজে নিয়মিত আমার আঁকাগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবার জন্য পোস্ট করি। আমার লক্ষ্য চ হওয়া। আমার কার্টুন যেন দেশের কথা বলে, যেন দেশের কাজে আসে সেটাই আমি চাই।

দেশে কাজের প্রেক্ষাপটে কি ধরনের সমস্যা পলাশ ফেস করে এবং এর সমাধান হিসেবে যা মরে করে –

আমাদের দেশের মানুষ হাস্য রসাত্মক আঁকা নিয়ে অনেক লফালাফি করতে পারে কিন্তু নান্দনিক আঁকাগুলো অনেকসময়ই অবহেলিত হয়। এর সমাধান হতে পারে শিল্পী ও শিল্পকে সম্মান করা।

নতুনদের উদ্দেশ্যে টিপস, পরামর্শ – লেগে থাক তোমার স্বপ্ন নিয়ে। মৃত্যুর আগ পর্যন্তও হাল ছেড়ো না।

আমার কিছু কাজ  – 

02

03 04

05

Untitled-1

06


Edited by Mehnaz – Techwriter