Google এর ইউজার ফ্রেন্ডলি নতুন লোগো প্রকাশ

09/02/2015

গতকাল ১লা সেপ্টেম্বর Google তাদের নতুন লোগো (Logo) ও ফেভিকন (favicon) প্রকাশ করল। এটি গুগলের সপ্তম লোগো ও পঞ্চম ফেভিকন। ডেস্কটপের পাশাপাশি বিশাল অংকের মোবাইল ডিভাইস ব্যাবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে এই লোগোর পরিবর্তন আনা হয়েছে। গুগলের অফিসিয়াল ব্লগ থেকে এমনটিই জানা যায়।

গুগল তাদের লোগোটি প্রকাশ করেছিল ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে। গুগলের User Experience এর পরিচালক Tamar Yehoshua  নতুন লোগো সম্পর্কে একটি ব্লগ পোস্ট করেন গুগলের অফিসিয়াল ব্লগে। তিনি জানান গুগলের শুরুর দিকের লোগো ডিজাইন করা হয়েছিল ডেস্কটপ ব্যবহারকারীদের কথা চিন্তা করে। সেই প্রেক্ষাপটে সেটিই ছিল উপযুক্ত লোগো। কিন্তু সময়ের সাথে digital device এর পরিবর্তনের ফলে মানুষের রুচি বা User Experience এর ধরণ বদলেছে। তাই লোগোর এই পরিবর্তন আনার দরকার হয়েছে। বর্তমান লোগোটি ডেস্কটপ, মোবাইল, ট্যাব ও অন্যান্য ছোট ডিভাইসেও আগের চেয়ে ভাল দেখাবে।

লোগোটি করা হয়েছে আগের থেকে আরো একটু ফ্ল্যাট ডিজাইনে (flat design)। পূর্বের ধারাবাহিকতায় এই লোগোতেও কোম্পানীর নামটি দিয়েই লোগো তৈরি করা হয়েছে। sans-serif স্টাইলে লাল, নীল, সবুজ ও হলুদ রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে নতুন এই লোগো।

লোগোর পাশাপাশি পরিবর্তন হয়েছে গুগলের ফেভিকনের (Google’s favicon) ডিজাইন। এটি গুগলের পঞ্চম ফেভিকন। ২০১২ সালের আগস্ট থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসা আগের ফেভিকনটি ছিল নীলের উপর সাদা রঙের ‘g’. অপরপক্ষে নতুন ফেভিকনটি ডিজাইন করা হয়েছে Product Sans ফন্টের ইংরেজি বড় অক্ষরের ‘G’ দিয়ে। এতে রয়েছে লোগোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ লাল, নীল, সবুজ ও হলুদ রঙ।

User Experience বা User Centered Design এর উপর সবচেয়ে গুরত্ব দেয় Google. ইউজার এক্সপেরিয়েন্সের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এই নতুন লোগো। এটি যে শুধু ছোট স্ক্রীনের ডিভাইসে ভাল দেখাবে তা নয় বরং low bandwidth connection ব্যবহারকারীরাও এটি ভাল ভাবে দেখতে পারবে। কারণ গুগলের আগের লোগোটি ছিল ১৪০০০ বাইট কিন্তু নতুন এই লোগোর সাইজ মাত্র ৩০৫ বাইট!

একটা প্রতিষ্ঠানের লোগো বা ফেভিকনের উপর কি রকম গবেষণা করা যায় সেটা গুগলকে দেখে শেখার আছে। যে কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রোডাক্টের টিকে থাকাই যেখানে ইউজারদের উপর নির্ভর করে সেখানে ইউজার এর কথাই’তো ভাবতে হবে সবার আগে!

Tech Analyst – Techmorich