শিশুর সুস্থ মেধা বিকাশ করতে চাইলে বোকা বানানোর আজব বাক্সটি থেকে দূরে রাখুন

09/18/2015

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি কমন Entertainment এর বস্তু হচ্ছে Television। ঘণ্টার পর ঘন্টা আমাদের জীবন থেকে চলে যায় এই আজব বাক্সটির দিকে তাকিয়ে থেকে। সময়ের সাথে আমাদের মেধারও যে অপচয় হচ্ছে সেটা কি আমরা একবারও ভেবে দেখেছি? মস্তিস্ককে চিন্তা না করতে দেয়া বা প্রডাক্টিভ কোন কাজে না লাগানো টাও কিন্তু এক অর্থে মেধার অপচয়ই বলা যায়।

আমরা কি জানি বিশ্বে দুই তৃতীয়াংশ শিশু গড়ে ২ ঘন্টা করে টিভি দেখে? এর মধ্যে ছয় বছরের বেশী শিশু – কিশোর ২ ঘণ্টা দিনে বেশীরভাগ সময় টিভি স্ক্রিনের সামনে থাকে। আবার আট থেকে ১৮ বছরের বয়সের শিশু কিশোরদের (স্কুলের বাইরে)ভিডিও গেম খেলতে বা টিভি পর্দার সামনে ৬ ঘণ্টা ব্যয় করতে দেখা যায়।

American Academy Of Pediatrics এর গবেষকরা দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের টিভি না দেখার জন্য পরামর্শ দিচ্ছে। তাদের মতে, জীবনের প্রথম দুই বছর শিশুদের জন্য মস্তিস্কের বিকাশের জন্য একটি খুবই গুরুত্বপুর্ন সময়। ইলেকট্রনিক মিডিয়া লার্নিং শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে বেড়ে ওঠা ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য উৎসাহ দেয় ঠিকই, কিন্তু যথার্থ ও গঠনমূলক উন্নয়নে তা সাহায্য করছে কি-না তা বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব মা-বাবা ও পরিজনদের।

American Academy of Ophthalmology এর গবেষণায় দেখা গেছে শিশুদের এক নাগাড়ে TV Screen এর দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে যে রোগগুলো তাদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয় সেগুলো হলো –

Childhood ocular conditions including:

  • Congenital cataract
  • Retinopathy of prematurity
  • Congenital glaucoma
  • Retinoblastoma
  • Cerebral visual impairment
  • Strabismus
  • Amblyopia
  • Refractive errors (myopia, hyperopia, astigmatism)
  • Pediatric uveitis

সুতরাং, পিতামাতা এবং পরিবার পরিজনদের খেয়াল রাখতে হবে যাতে অতিরিক্ত টিভির সামনে বা ভিডিও গেম, মোবাইল স্কিনের সামনে শিশু দির্ঘক্ষন সময় ব্যয় না করে।  শিশুর চোখের এবং ব্রেইনের উপর যাতে চাপ না পড়ে সেটা দেখার পাশাপাশি শিশুর মেধা বিকাশের জন্য তাকে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানগুলোর প্রতি আগ্রহী করে তোলাটাও কিন্তু জরুরী।

 

Tech Analyst – Techmorich