কৃত্তিম হাতে স্পর্শের অনুভূতি – Artificial Hand with Real Feelings!

09/17/2015

বিজ্ঞানের আশীর্বাদে এতদিন আমরা শুনে এসেছি বা দেখে আসছি কৃত্তিম হাত, পা বা অঙ্গ জোড়া লাগিয়ে পক্ষাগাতগ্রস্থ মানুষেরা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সাধারন কাজ কর্ম অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু যন্ত্রের সাথে মানুষের প্রধান পার্থক্য হল Artificial Hand with Real Feelings  বা স্পর্শের ঘাটতি । আর এই বাধাকেও শেষ পর্যন্ত মানুষ অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। এখন ব্রেইন এর সাহায্যে Robotic Arms  পারবে তার চিন্তাগুলো Quadriplegics Move করাতে।

কৃত্তিম হাতে নানা ধরনের কাজ করা গেলেও ব্যাবহারকারির পক্ষে স্পর্শের অনুভূতি ছিল অবিদ্যমান। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীনে পরিচালিত ডিফেন্স এডভান্স রিসার্চ প্রজেক্ট এজেন্সি (ডারপা) উন্নত প্রজুক্তির মাধ্যমে এমন হাত তৈরি করেছে যেখানে স্পর্শের অনুভূতি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে। এক দশকেরও আগে মেরুদন্ডে আঘাত পেয়ে পক্ষাঘাতগ্রস্থ ২৮ বছর বয়সী এক জুবকের উপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায় সে তার কৃত্তিম হাতটিতে স্পর্শ ফিরে পেয়েছে।
বৈজ্ঞানিক রিসার্চ এর উত্তর উত্তর উন্নত পদ্ধতির ফলে সত্যি আজকে অনেক দুঃসাধ্যকে একে একে আমরা জয় করতে পারছি –এমনটি বলেন ফ্লোরিডার Nanoscience Institute for Medical and Engineering Technology at the University এর ডিরেক্টর  Jack Judy।

Defense Advanced Research Projects Agency  তে জুডি প্রোগাম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে রত ছিলেন। ইরাক এবং আফগানিস্থান যুদ্ধের সময় যখন ১৭১৫ জন সেনার অঙ্গহানি ঘটে তখন তাদের উপর একটি প্রোগ্রাম রান করা হয় হয়। সেনাদের পারফর্ম্যান্স ইম্রুভ করার জন্য neural  interfaces কে কাজে লাগিয়ে করে prosthetic  limbs কে  কন্ট্রোলে আনা হয়।
নতুন প্রজুক্তি কাজে লাগিয়ে কৃত্তিম হাতটিকে wire এর সাহায্যে সরাসরি মস্তিস্কের মোটর কর্টেক্স (motor cortex) অঞ্চলে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে হাতটি মস্তিস্ক থেকে সরাসরি ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যালের মাধ্যমে নারাচারা করতে পারবে। আর স্পর্শের অনুভূতি সংযুক্ত করতে মস্তিষ্কের সেন্সরি করটেক্সে একটি ইলেক্ট্রোড অ্যারে স্থাপন করতে হয়।

কৃত্তিম হাতটি তৈরি করা হয়ে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণাগারে । পরে একে মস্তিষ্কের সাথে সংযুক্ত করার পূর্ণ সার্কিট যোগ করে ডারপা DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency)।


Tech Ninja
– Techmorich