যেভাবে আমরা সোশ্যাল হলাম

08/27/2015

ধারনা করা হয় সোশ্যাল নেট ওয়ার্কিং সাইটের চর্চা শুরু ২০০৪ সাল এর ফেসবুক এর মধ্যে দিয়ে। কিন্তু এর উৎস বা উৎপত্তি হয়েছিল তার ও আগে।যদি বলা হয় ইয়াহু চ্যাট রুম, এম এস এন চ্যাট রুম, আই সি কিউ, জাবের, আই আর সি ইত্যাদি জনপ্রিয় মেসেঞ্জার এর হাত ধরে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক কমিউনিটি বেড়ে উঠেছে তাহলে খুব একটা ভুল বলা হবে না। এম,এস,এন, ইয়াহুর চ্যাট রুমগুলোতে যে কেউ জয়েন করতে পারত, খেলতে পারত, ভয়েস চ্যাট করতে পারত রীতিমত অবসর কাটানোর জন্য সত্যিকার অর্থে একটা চমৎকার প্লাটফর্ম ছিল। সেই সময়টাকে বলা যায় ইন্টারনেট এর মাধ্যমে user to user direct communication এর স্বর্ণযুগ। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পাশাপাশি দাড়িয়ে যায় হাইফাইভ, মাইস্পেস, ফ্রেন্ডস্টার এর মতো আরো কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। কিন্তু তারা ইউজারদের ঠিক একত্রিত করতে পারছিল না। অতিরিক্ত স্প্যামিং আর এডভারটাইজিং এর কারনে সাইটগুলো থেকে ইউজার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছিল।

ঠিক সেই সাইটগুলোর ক্রান্তি লগ্নে উঠে আসে ফেসবুক।সিম্পল, সহজবোধ্য আর অল্প কিছু ফিচার দিয়ে সাইট টির পথ চলা শুরু হয়। এখনো সব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের শীর্ষে অবস্থান করছে ফেসবুক।

তবে বিশ্বব্যাপী এখন যার যার রিজিয়ন এ লোকালাইজেশন এর কথা চিন্তা করে নিজস্ব ভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে নিজেদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট মেইন্টেইন করছে। যেমন – American-based সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো হচ্ছে – Facebook, Google+, LinkedIn, Instagram, Reddit, Pinterest, Vine, Tumblr, এবং Twitter
কানাডার Nexopia
চায়না এবং রাশিয়ার Badoo, Bebo,Vkontakte , Delphi
লেটভিয়ার Draugiem.lv
হাঙ্গেরির  iWiW
পোল্যান্ড এর  Nasza-Klasa,
অস্ট্রিয়ার Soup
সুইজারল্যান্ড এ জনপ্রিয় Glocals , Skyrock
জার্মানিতে The Sphere, StudiVZ
স্পেইনে বেশী ব্যাবহারিত হয় Tagged, Tuenti, Myspace
ইউরোপের সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় Xanga and XING
সাউথ আমেরিকা এবং সেন্ট্রাল আমেরিকাতে Hi5
আফ্রিকাতে Mxit
এশিয়া এবং প্যাসিফিক আইল্যান্ড এর Cyworld, Mixi, Renren, Friendster, Sina Weibo and Wretch

 

Tech Writer – Techmorich