ইউ এক্স ডিজাইন এর আদ্যপান্ত

August 10, 2017

User Experience Design বা সংক্ষেপে UX Design আসলে কি? অনেকেই জানে আবার অনেকের মাঝেই এখনো নানা প্রশ্ন এই ইউএক্স ডিজাইন নিয়ে। এই আর্টিকেলটিতে আমি যথা সম্ভব চেষ্টা করবো ইউ এক্স নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য।
একজন ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইনার  হিসেবে আপনার কাজ হচ্ছে সেই ইউজার কে তার গোল বা গন্তব্যে কত সহজে ও সুন্দরভাবে পৌছে দেয়া যায় সেটা ডিজাইন বা নকশা করা।

তাহলে ইউ এক্স (UX) ডিজাইন কি?

ইউ এক্স ডিজাইন হচ্ছে কোনো প্রোডাক্ট, সার্ভিস বা সিস্টেম কে এমন ভাবে সাজানো যেন তার ব্যাবহারকারী বা ইউজার তার গোল বা গন্তব্যে সবচেয়ে সহজ ও সুন্দর ভাবে কোনো দ্বিধাদন্দে না ভুগেই পৌছাতে পারে। বা এক কথায় বললে, ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন হচ্ছে কোনো প্রোডাক্ট, সার্ভিস বা সিস্টেম ব্যবহার এ ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার নকশা।
অনেকেই মনে করতে পারেন যে, শুধুমাত্র ফটোশপ , ইলাস্ট্রেটর বা যেকোনো ইডিটিং টুল এ ইউ আই (User Interface – UI) বা ভিজুয়াল (Visual) ডিজাইন কেই ইউ এক্স ডিজাইন বলা হয়। ধারনা টি আসলে সম্পুর্ণ ভুল! শুধু মাত্র বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে UI বা ভিজুয়াল ডিজাইন কেই ইউ এক্স ডিজাইন বলা হয়না। UI হচ্ছে UX এর একটি অংশ মাত্র। আবার অনেকে নিজেকে UI/UX Designer ও বলে থাকেন। এই কথা টিও ভুল! যদি UI ইউএক্স এর একটি পার্ট হয়ে থাকে তাহলে UI/UX ডিজাইনার কিভাবে হয়? বলতে হবে শুধু UX Designer.

ইউ এক্স ডিজাইন এর অনেক গুলো ধাপ আছে। একেক পর এক ধাপ ধরে ধরে আগাতে হয়। মোটামুটি সব গুলো ধাপ ই একটির সাথে একটির মিল আছে, যে কোন একটি বাদ পড়ে গেলেই হয়তো সেটা হতে পারে একটি ব্যর্থ ডিজাইন।

ইউজার রিসার্চ (User Research)

আপনি ইউজার এর এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন করবেন অথচ ইউজার এর রিসার্চ ই করবেন না তা কেমন করে হয়? একটা প্রোডাক্ট , সিস্টেম বা সার্ভিস ডিজাইন করার পূর্বে আপনাকে সেই সিস্টেম এর ইউজার গ্রুপ নিয়ে অবশ্যই রিসার্চ করতে হবে। তাদের – চাহিদা, আশা-আকাংখা, পারিপার্শিক অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে হবে। ধরা যাক, আপনাকে কোনো এক দেশের কোনো এক জনগোষ্টির জন্য একটি মোবাইল এ্যাপ ডিজাইন করতে হবে। আপনি যদি তাদের সম্পর্কে কিছুই না জেনে ডিজাইন করতে বসেন তাহলে সেটা হবে অ-আ ঠিকমতো না জেনেই গরু রচনা লিখতে বসার মতো ! রচনা হয়তো আপনার ঠিকি লিখা হবে, কিন্তু কেউ সেটা আর পড়ার যোগ্যতা বহন করবেনা ! একটা প্রোডাক্ট , সিস্টেম বা সার্ভিস এর কয়েক ধরনের ইউজার গ্রুপ থাকতে পারে।

উদাহরস্বরুপ, ফেসবুক এর অনেক ধরনের ইউজার গ্রুপ আছে। এর মধ্যে বয়স্ক বা এডাল্ট ইউজার গ্রুপ – যারা হয়তো শুধুমাত্র ফেসবুক ব্যবহার করেন নিউজ বা বিভিন্ন খবরাখবর পাওয়ার জন্য। রেগুলার ইউজার গ্রুপ – যারা আপনার আমার মতই ১৮-৩৫ এর বয়সের কোটায়। তারা হয়তো তাদের বন্ধুবান্ধব এর বিভিন্ন আপডেট পাওয়ার জন্য, কিংবা নিজের স্ট্যাটাস , ফটো আপলোড এর জন্য ফেসবুক ব্যবহার করছে। কেউ কেউ হয়তো কোনো রকম নির্দিষ্ট পোস্ট পড়ার জন্য ফেসবুক এ আসেন, কেউ হয়তো ভিডিও দেখতে আসেন, কেউ পড়ালেখার কাজে আসেন, কেউ নিজের ফ্যানপেইজ চালানোর জন্য আসেন ইত্যাদি ইত্যাদি অসংখ্য ইউজার গ্রুপ। খেয়াল করে দেখুন, আপনি ঠিক যা পছন্দ করেন ফেসবুক আপনাকে ঠিক তাই দেখায়। প্রতিনিয়ত ফেসবুক ইউজার রিসার্চ করেই যাচ্ছে। ফেসবুক এ আপনার ( পড়ুন ইউজারের ) এক্সপেরিয়েন্স ভালো দেখেই ফেসবুকের ব্যবসা এত ভালো!

হিউম্যান সেন্টার্ড ডিজাইন (Human-centered design-HCD)

ইউ এক্স ডিজাইন এর মূল উদ্যেশ্য হচ্ছে ইউজার কে প্রাধান্য দেয়া। আপনি একটি প্রোডাক্ট , সিস্টেম বা সার্ভিস নিজের মত করে ডিজাইন করে সেটা কে ইউজার কাছে পরিচিত করানো কিংবা তাকে শিখিয়ে নেয়া কখনই ইউ এক্স ডিজাইন এর ভেতরে পড়ে না। ইউজার এর স্কিল, ইউজার এর চাহিদা ইত্যাদির উপর ই ভিত্তি করে আপনাকে ডিজাইন করতে হবে। একটি প্রোডাক্ট ডিজাইন এর পরে যদি সেটা ইউজার কে বোঝানোর জন্য User Manual Guide এর প্রয়োজন পড়ে বা তাকে দিক নির্দেশনা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে সেটা কখনই ভালো ডিজাইন হতে পারেনা।

এ ক্ষেত্রে এই ৭ টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

Useful: Your content should be original and fulfill a need.
Usable: Your Product, System or service must be easy to use.
Valuable: Your Product, System or service must create a value on users mind.
Desirable: Image, identity, brand, and other design elements are used to evoke emotion and appreciation.
Findable: Content needs to be navigable and locatable onsite and offsite.
Accessible: Content needs to be accessible to people with disabilities.
Credible: Users must trust and believe what you tell them.

প্রবলেম আইডেন্টিফাই ( Problem Identify)

ইউজার রিসার্চ এর সময় সেই ইউজার গ্রুপ এর মূল সমস্যাটা আসলে কোথায় তা বের করতে হবে। ইউজার সম্পর্কে রিসার্চ করার সময় তাদের মূল সমস্যা টা জানা খুব জরুরী। মূল সমস্যা জানলেই আপনি তার সেই সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।
একটি ইউজার গ্রুপ সম্পর্কে খুব ভালো ভাবে জানার জন্য সেই ইউজার গ্রুপ এর সাথেই ডিসকাশন করতে হবে। যেটা কে ইউ এক্স ডিজাইন এর ভাষায় বলা হয় ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন (Focus Group Discussion) । তাদের সাথে আলোচনা করে তাদের সমস্যা সম্পর্কে আরো ভালো ভাবে জানতে হবে এবং একমাত্র তাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমেই তাদের চাহিদা, সামর্থ্য, আশা-আকাংখ্যা , পারিপার্শিক অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যাবে। এই ডিসকাশন এর ও অনেক নিয়ম কানুন আছে। যা হাতে কলমে শিখা বাঞ্চনীয়।

টাস্ক এনালাইসিস (Task Analysis)

টাস্ক এনালাইসিস হচ্ছে সেই প্রসেস যেখানে আপনার সিস্টেম, সার্ভিস বা প্রোডাক্ট এর ইউজার গ্রুপ কে খুব কাছে থেকে যাচাই করতে হবে। ইউজার গ্রুপ এর পারসোনা (Persona) ও সিনারিও (Scenario) তৈরী করতে হয়। পারসোনা বলতে প্রতিটি ইউজার গ্রুপ এর নাম, ঠিকানা, বয়স, পেশা , কর্মস্থল, পারিবারিক অবস্থা ইত্যাদি সংগ্রহ করা কে বোঝায় এবং সিনারিও বলতে সেই ইউজার গ্রুপের জীবন বৃত্তান্ত অর্থাৎ তার প্রতিদিন কার দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্থা, ও চালচলন ইত্যাদি সংগ্রহ করা ও লিপিবদ্ধ করা কে বোঝায়।

টাস্ক এনালাইসিস এর মূল উদ্যেশ্য হচ্ছে –

* ইউজার এর মূল লক্ষ বা গোল টা কি।
* ইউজার সেই গোল বা লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য কি কি টাস্ক বা কাজ সম্পাদন করে।
* টাস্ক বা কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে তারা কি কি বাধার সম্মুক্ষিন হয়।
* ইউজার এর পারিপার্শিক অবস্থা সেই গোল বা লক্ষ্যে পৌছানোর সময় কেমন প্রভাব ফেলে।
* গোল বা লক্ষ্যে পৌছানোর সময় ইউজার এর আগের অভিজ্ঞতার কোনো প্রভাব আছে কি না।

কার্ড সর্টিং (Card Sorting)

ইউজার গ্রুপের এর সব ধরনের প্রবলেম আইডেন্টিফাই করার পর অনেক সময় ই গোলক ধাধায় পড়ে যেতে হয় যে এত এত সমস্যার আসল সমস্যা টা কি?! এমন কোন সমস্যা আছে কিনা যেটা সমাধান করলেই হয়তো ৯০% সমস্যাই সমাধান হয়ে যাবে । ঠিক এই গোলকধাধা এড়াতেই করা হয় কার্ড সর্টিং। এই কার্ড সর্টিং দুই ধরনের- এক. ওপেন কার্ড সর্টিং । দুই. ক্লোজড কার্ড সর্টিং। গুগল , মাইক্রোফট এর মত জায়ান্ট কোম্পানি গুলো কার্ড সর্টিং এর মাধ্যমেই তাদের হাজারো সমস্যা কে মাত্র কয়েক টি সমস্যায় নিয়ে আসে এবং সেই গুটিকয়েক থেকে সমস্যা থেকে সমস্যার সমাধান খুব সহজ করা যায়।
সঠিক ভাবে কার্ড সর্টিং করা হলে হাজারো সমস্যা থেকে গুটিকয়েক সমস্যা পাওয়া যায় এবং সেগুলো সমাধান করা যায়। এই সমাধান এর ফলাফল টাই আপনার ইউজারের সমস্যার সমাধান এর ইনফরমেশন ! আর এটাই আপনার মূল কাজের বিষয়। এটা কে বলা হয় ইনফরমেশন আর্কিটেকচার (Information Architecture) । এই ইনফরমেশন গুলো যদি আপনি সঠিক ভাবে সাজাতে না পারেন তাহলে আপনার সব কাজ ই বৃথা ! ইনফরমেশন আর্কিটেকচার বলতে সেই ইনফরমেশন গুলোর একটি আর্কিটেকচার বা গঠন রুপ তৈরী করা কে বুঝানো হয়।

স্কেচ ( Sketch)

আমরা অনেকেই UI (User Interface) ডিজাইন করার সময় প্রথমেই কোনো টুল বা সফটয়্যার দিয়ে ডিজাইন করা শুরু করে দেই। কিন্তু এর ফলে আমাদের অনেক রকমের সমস্যায় পড়তে হয়। বার বার আমাদের নানারকম অংশ পরিবর্তন পরিবর্ধন করতে হয়। কিন্তু যদি প্রথমেই পেন্সিল ও খাতায় সম্ভাব্য UI এর একটি স্কেচ করে নেয়া যায় যা থেকে খুব সহজেই মুছে বা এঁকে পরিবর্তন করা যাবে তাহলে কাজ টা আরো সহজ হয়ে যায়।

পেপার প্রোটোটাইপ ও ইউজাবিলিটি টেস্টিং ( Paper Prototype & Usability Testing)

একটি সার্ভিস, সিস্টেম বা প্রোডাক্ট এর ইউজার এক্সপেরিয়েন্স যাচাই করার জন্য তার অরিজিনাল ইউজার গ্রুপ কেই বেছে নিতে হয়। আপনি যেই ইউজার গ্রুপ এর জন্য আপনার প্রোডাক্ট টি ডিজাইন করছেন একমাত্র তাদের কে দিয়েই সেই প্রোডাক্ট টি যাচাই করা সম্ভব। কিন্তু শুধ্মাত্র যাচাই এর জন্য সম্পূর্ণ প্রোডাক্ট টি ডিজাইন করে তা ডেভেলপ করে ইউজার এর কাছে যাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ কাজ। এ জন্যই তৈরী করা হয় প্রেপার প্রোটোটাইপ। অর্থাৎ কাগজ দিয়ে তৈরী করা হয় বিভিন্ন ডিভাইস এর কাঠামো বা Shape। সেসব কাগজের ডিভাইস আপনার প্রোডাক্ট এর স্কেচ লাগিয়ে সেটাই টেস্ট করতে দেয়া হয় অরিজিনিলা ইউজার গ্রুপ এর কাছে। এভাবে ইউজার এর কাছ থেকে প্রেপার প্রোটোটাইপ এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট টি ব্যবহার করতে গিয়ে ইউজার কোথায় ভুল করছে, কোথায় সে আটকে যাচ্ছে এসব যাচাই করা হয়। অরিজিনাল ইউজার কে দিয়ে প্রোডাক্ট টেস্টিং বা যাচাই এর মাধ্যমে আপনি যেই ফলাফল টা পাচ্ছেন সেটাই হচ্ছে Usability Testing অর্থাৎ আপনার প্রোডাক্ট টি ইউজার এর কাছে কতটুকু ব্যবহার যোগ্য বা Usable.

ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন এর ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে ডিজাইন করতে হয়। যেগুলোকে Heuristic Principles বলা হয়। ১৯৯৪ সালে Jakob Nielsen এই Heuristic Principle গুলো তৈরী করেন। কোনো প্রোডাক্ট, সিস্টেম বা সার্ভিস এর ডিজাইন যদি হিউরিষ্টিক প্রিন্সিপাল গুলো না মেনে ডিজাইন করা হয় তাহলে মোটামুটি চোখ বন্ধ করেই বলা যায় সেই ডিজাইন বাস্তবে ইউজার এর চাহিদা কোনো ভাবেই পূর্ন করবে না। অর্থাৎ তা হবে নিতান্তই একটি ব্যার্থ ডিজাইন!

ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন ( User Interface (UI) Design )

বলা যায় ইউ এক্স ডিজাইন এর মোটামুটি সবথেকে শেষ কাজ টিই হচ্ছে ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন করা। ইউজার কে যাচাই বাছাই করার পরে- তাদের চাহিদা, আশা-আকাংখা, সামর্থ্য, পারিপার্শিক অবস্থা ও তাদের মূল সমস্যার সমাধান ও তাদের সব রকমের ইনফরমেশন হাতে নিয়ে একজন ডিজাইনার হিসেবে আপনি এখন জানেন কিভাবে আপনার প্রোডাক্ট , সিস্টেম বা সার্ভিস টি ডিজাইন করলে আপনার ইউজার গ্রুপ সবচেয়ে উপকৃত হবে এবং সাচ্ছন্দে তারা আপনার প্রোডাক্ট টি ব্যবহার করতে পারবে। ইউ এক্স এর সব নিয়ম মেনে একটি প্রোডাক্ট, সিস্টেম বা সার্ভিস ডিজাইন করা হলে তা কখনই ব্যার্থ হতে পারেনা।

“User Experience Design is a long & continuous process.”

মনে রাখতে হবে, আপনার ইউজার এর চাহিদা, আশা-আকাংখা, সামর্থ্য ইত্যাদি প্রতিনিয়ত ই পরিবর্তন হতেই থাকবে। সুতরাং আপনি আপনার প্রোডাক্ট, সিস্টেম বা সার্ভিস এর জন্য একটি ডিজাইন ও একটি স্ট্রাটেজি দিয়েই সারাজীবন কাটিয়ে দিবেন এমন টা ভাবলে চলবেনা। প্রতিনিয়ত আপনাকে আপনার ইউজার ও তার চাহিদা সম্পর্কে গভীর জ্ঞ্যান রাখতে হবে। যেন যুগের সাথে ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আপনি আপনার ইউজার কে সঠিক অভিজ্ঞতা বা এক্সপেরিয়েন্স টাই দিতে পারেন। খুব স্বল্প সময়ে কখনই ভালো মানের ইউ এক্স ডিজাইন করা সম্ভব হয় না । এর জন্য দরকার পর্যাপ্ত সময় ও আপনার ইউজার গ্রুপ কে খুব কাছ থেকে বোঝার ক্ষমতা।

ইউ এক্স ডিজাইন হাতে কলমে ট্রেইনিং ছাড়া কখনই শিখা সম্ভব না, বাংলাদেশ এ একমাত্র ভালো মানের ইউ এক্স এর ট্রেইনিং এর জন্য যেতে পারেন User Study & Experience Research Hub – Userhub এ।

Rezaur Rahman Shahed
User Experience Designer
ITmedicus Ltd